উচ্চ শব্দে গান শোনার কারণে কানের শ্রবণশক্তি কমে যাচ্ছে – বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

0
907
উচ্চ শব্দে গান শোনার কারণে কানের শ্রবণশক্তি কমে যাচ্ছে
উচ্চ শব্দে গান শোনার কারণে কানের শ্রবণশক্তি কমে যাচ্ছে
Print Friendly, PDF & Email

কনসার্ট,  ক্লাব ও বাড়িতে বসে কানে ইয়ার ফোন দিয়ে, উচ্চ শব্দে গান শোনার কারণে দিনে দিনে কানের শব্দ গ্রহণক্ষমতা কমে যাচ্ছে একশ কোটিরও বেশি তরুণ-তরুণীর।

 খোদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও’র মতে, দিনে এক ঘণ্টার বেশি এভাবে গান শুনতে নেই। ইতিমধ্যে প্রায় ১.১ বিলিয়ন তরুণ-তরুণীর শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উচ্চ শব্দে গান শোনার কারণে। এ জন্যে ডব্লিউএইচও”র বিজ্ঞানী যারা শুধু কানের শ্রবণশক্তি নিয়ে গবেষণা করেন তারা পরামর্শ দিয়েছেন অন্তত কম ভলিউমে গান শুনতে।

ডব্লিউএইচও পৃথিবীর বিভিন্ন মধ্যম এবং উচ্চ আয়ের দেশে ১২-৩৫ বছর বয়সীদের মাঝে এ গবেষণা চালায়। গবেষণায় দেখা গেছে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ইয়ার ফোন বা অন্যান্য যন্ত্র থেকে গান শোনার কারণে এদের ৫০ শতাংশ তরুণ-তরুণীর ক্ষতিগ্রস্ত। বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে সিনেমা বা গানের অনুষ্ঠানে ৪০ শতাংশের শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

গবেষণায় আরো জানা গেছে, ৮৫ ডেসিবল মাত্রার শব্দ টানা আট ঘণ্টা শুনলে অথবা ১০০ ডেসিবল মাত্রার শব্দ ১৫ মিনিট শুনলেই শ্রবণশক্তি ক্ষতির শিকার হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও যে উদ্বেগজনক তথ্যটি দিয়েছে তা হচ্ছে, ট্রাফিক নয়েজ থেকেও শব্দ দূষণ হতে পারে যা লাউড মিউজিকের মতই ক্ষতিকর।

আর ইউএন এজেন্সির মতে লাউড নয়েজের কারণে বিশ্বের প্রায় ৩৬০ মিলিয়নের বেশি লোক কোন না কোনভাবে শ্রবণ শক্তি হ্রাসের ঝুঁকিতে রয়েছে।

আরও জানুন » হার্ট অ্যাটাক কি? হার্ট অ্যাটাক এর কারণ, উপসর্গ ও প্রতিকারে করণীয় »

Comments

comments