শারীরিক ও মানসিক শান্তি পেতে ১৭টি সঠিক খাদ্যাভ্যাস

0
975
শারীরিক ও মানসিক শান্তি পেতে ১৭টি সঠিক খাদ্যাভ্যাস
Print Friendly, PDF & Email

স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল। আপনি যদি রোগমুক্ত থাকেন তবে জীবনটা আপনার কাছে অনেক বেশিই আনন্দের হবে। কিন্তু যদি দেহে অসুস্থতা বাসা বাঁধে তবে শারীরিক এবং মানসিক দুধরণেরই শান্তি ও সুখ নষ্ট হয়। আজকাল মুটিয়ে যাবার প্রবণতা সব বয়সের মানুষের মাঝেই বেড়েছে তীব্র ভাবে। কেবল প্রাপ্ত বয়স্করা নয়, এলোমেলো খাদ্যাভ্যাসের কারণে ওজন বেড়ে যাচ্ছে কম বয়সী ছেলে মেয়েদেরও। তাছাড়া নানা রকম রোগ বালাই তো লেগে আছেই।

একটি সঠিক খাদ্যাভ্যাস আপনাকে মুক্তি দেবে বাড়তি ওজন থেকে, অতিরিক্ত ক্লান্তি, অযাচিত রোগ বালাই থেকে শুরু করে আরও অনেক শারীরিক সমস্যা থেকেও।

১. বারবার খান

সবার প্রথম কথা হলো পেট ভরে না খেয়ে বারবার খান। সবচাইতে ভালো হবে পরিমাণে অল্প করে দিনে ছয়বার খেলে।

 ২. রাতের খাবার তাড়াতাড়ি

বেশি রাত করে রাতের খাবার না খাওয়াই ভালো। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খেয়ে নিন।

৩. হাটাহাটি

রাতে খাওয়ার পর অন্তত ১০ থেকে ১৫ মিনিট হাটাহাটির করুন। এটা খাবার হজমে সহায়তা করবে, ফলে ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রনে।

৪. জাংক ফুড

বাড়িতে মিষ্টি, চিজ, চানাচুর, চকোলেট, চিপস ইত্যাদি বেশি রাখবেন না। হাতের কাছে থাকলে আপনার ও বাচ্চাদের খেতে ইচ্ছে করবে।

৫. প্রোটিন যুক্ত খাবার

ফ্যাট ফ্রি দুধ, ছানা ও টকদই খান প্রচুর পরিমাণে। এতে শরীরে প্রোটিনের ঘাটতি হবে না।

৬.পরিকল্পনা

পরিকল্পনা থাকলে কম খাওয়া হয়। তাই খেতে বসার আগেই পরিকল্পনা করে নিন কী খাবেন আর কতটুকু খাবেন। আর না থাকলে বেশি ক্যালরি খেয়ে নেওয়ার প্রবণতা থাকবে।

৭. নির্দিষ্ট পরিমাণে খাবার 

বারবার নেবার অভ্যাসের কারনে বেশি খাওয়া হয়ে যায়। তাই প্লেটে একবারেই উঠিয়ে নিন প্রয়োজনীয় খাবার।

৮. অল্প তেল ব্যবহার 

অল্প তেলে রান্নার অভ্যাস করুন। ভাজা পোড়া খাবার অভ্যাস কমান। দোকান থেকে কিনে খাবার প্রবণতা কমান।

৯. মাছ খাওয়ার অভ্যাস

মাছ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সামুদ্রিক মাছকেও রাখবেন খাদ্য তালিকায়। মাছে ক্যালরি কম থাকে।

১০. চিবিয়ে খাওয়া

খাবার পরিপাকে সহায়ক হয় আস্তে আস্তে চিবিয়ে খেলে। ফলে মুখের ভেতরের এনজাইম বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে দ্রুত খাবার হজম করে।

১১. কাঁচা ফল ও সব্জি

দিনে যেকোনো একটা ফল ও কাঁচা খাওয়া যায় এমন একটা সবজি কাঁচা খাওয়ার চেষ্টা করুন। ও সম্ভব হলে প্রতিদিন খাবারে সালাদ রাখুন।

১২. পুষ্টিগুণ নির্দিষ্ট রাখতে

প্রতিদিন একই ফল, সবজি, তরকারি খাবেন না। সব কিছু মিশিয়ে খেলে পুষ্টির পরিমাণ ঠিক থাকবে।

১৩. আরাম করে খাওয়া

গাড়িতে যেতে যেতে, দাঁড়িয়ে বা শুয়ে খাবেন না। এক জায়গায় বসে আরাম করে আনন্দ নিয়ে খান।

১৪. সব ধরনের খাবার 

টক, ঝাল, মিষ্টি, নোনতা, তেতো নানা রকম খাবার মিলিয়ে খান এতে আপনি পাবেন সব ধরনের খাবারের স্বাদ। খাদ্য তালিকায় পাঁচটি মিশ্রণ থাকলে খিদে দেরিতে পাবে। ফলে খাওয়া কম হবে।

১৫. লাল আটা বা চাল

লাল আটা বা চাল পুষ্টি সমৃধ তাই লাল আটা ও লাল চাল খাবার অভ্যাস করতে পারেন।

১৬. পানি পান করা

পর্যাপ্ত পানি পান করুন। পানিতে দেহের সমস্ত আবর্জনা ধুয়ে যায়। ও আদ্রতা ঠিক থাকে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করে দেহকে হাইড্রেট রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

১৭. ডালে আছে প্রোটিন

সব ধরনের ডালে আছে প্রোটিন তাই খাদ্য তালিকায় ডালকে অবশ্যই রাখুন।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে করে বজায় থাকবে শারীরিক এবং মানসিক শান্তি। নিজে সুস্থ থাকুন পরিবারকে সুস্থ রাখুন।

আরও জানুন » কাজের মাঝেই ৫০০ ক্যালরি ক্ষয় করার ১১টি উপায় » 

Comments

comments